খোঁজ
রিদওয়ান নোমানী
বেরোই ল্যাম্পপোস্ট হয়ে মধ্যরাতে
চাঁদের শৈশব তখন খেলা করে..
মিটমিট করে অগণন তারার মেলা।
রাস্তার স্বপক্ষে সমস্ত ক্লান্তি ঢেলে দিই
নাগরিক ব্যস্ততায় নেতিয়ে পড়েছে
বিশালদেহী বটগাছ,আমি তার
বা-পাশটায় একটু জিরোই..
কোলাহল নগরের নিস্তব্ধতা রচনা;
অনেকক্ষণ পরপর দেখা মেলে
দু’একটি মালবাহী ট্রাক।
মোড়ে মোড়ে টহল পুলিশ সিগারেটের
ধোয়া আলোয় মেলায়।আমি
তাদের কাছে লজ্জার মাথা খেয়ে
ভিক্ষে মাগি এক গন্ডা আগুন।
ধোয়ার কুণ্ডলী ছাড়তে ছাড়তে
ঢুকে পড়ি এদের গেরস্থ আলাপে।
গাল কাটা ষাঁড়ের মেয়েটা
বড় ভালো রেজাল্ট করেছে।
কী একটা তীক্ষ্ণ অনুভূতি লাগে
ওদের গেরস্থ আলাপে আর একটু থাকলে
আমার সমস্ত ইচ্ছে কবরে যাবে।
ধূসর গন্তব্যে এগোই..
দম্পত্তির ব্যর্থ সৈনিকের কথা ভাবতেই
দেখি চাঁদটা পশ্চিম আকাশে
হেলে পড়ছে..
একদল ভিখিরির নাক ডাকার শব্দ
জীর্ণ শরীরগুলো ওঠানামা করছে;
তারাও ঘুমোয়
খোলা আকাশের নিচে ঘুমোয়..
আড্ডার ক্যাফেগুলো বন্ধ করে
ঘুমোচ্ছে বেয়ারার দল।
সায়েন্সল্যাব হয়ে বলাকামুখী এগোই
রাতের নিভৃতে
যদি মেলে তার খোঁজ…